ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, বৈঠকে ভারত ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাঘচিসহ দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। ভারত ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার হলেও হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা এবং তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে।
এর আগে গত জুনে ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কমানো এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূমিকার প্রশংসা করেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।
বৈঠকের আগে ইরানি প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেন, তাঁর দেশ যুদ্ধ চায় না। তবে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে। সম্প্রতি ইরানের একটি ছোট দ্বীপে মার্কিন হামলার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
পেজেশকিয়ান আরও বলেন, স্বাধীন কণ্ঠস্বর তুলে ধরার জন্য এসসিও একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। এই প্রেক্ষাপটে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছে তেহরান।
এদিকে আলাদাভাবে জানা গেছে, ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিতব্য ‘মক্কা চুক্তি’র প্রথম বৈঠকে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব অংশ নিতে যাচ্ছে। ফলে একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়াকে ঘিরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতা সামনে এসেছে।
