সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় বিস্তৃত আলোচনার সময়সূচির পাশাপাশি আরব প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ইরানের শর্তগুলো পূরণ করলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে এর আগে জানিয়েছিলেন ইরানি কর্মকর্তারা। নিউইয়র্কে থাকা কূটনীতিকরা জানান, শান্তি আলোচনা সম্ভব হলেও এর জন্য ইরানের মূল দাবিগুলো মেনে নেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টিও রয়েছে।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, সামরিক পথ খোলা রেখেই ওয়াশিংটন কূটনৈতিক আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে মার্কিন সামুদ্রিক অবরোধ এবং ইরানের বাণিজ্যিক নৌপথে বাধার মধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ের এসব আলোচনা চলছে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ঘোষণা করা হয়নি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনাকে ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একই সঙ্গে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে তিনি সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও বহাল রেখেছেন।
অন্যদিকে আরব উপদ্বীপে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে কাতার, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশের জ্বালানি ও বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল করে থাকে। ফলে এ অঞ্চলে সংঘাত ও নৌপথে অচলাবস্থা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
