সোমবার (৫ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয়। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজের নির্দেশনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. রাশাদ আল-আলিমির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এবং সৌদি ডেটা অ্যান্ড এআই অথরিটি (এসডিএআইএ) সহযোগিতা করবে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ইয়েমেনের জনগণের প্রতি দেশটির চলমান মানবিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম সহায়তার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে এ সুবিধা পেতে আবেদনকারীর বৈধ ইয়েমেনি পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক। বৈধ পাসপোর্ট ছাড়া অনিয়মিত অবস্থায় থাকা ইয়েমেনি নাগরিকরা এই সুবিধা পাবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া কারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে, কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন এবং কবে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এখন পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ বা আবাসিক স্ট্যাটাস সংশোধনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে—এমন কোনো ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। একইভাবে, অনিয়মিত অবস্থায় থাকা সব ইয়েমেনি নাগরিককে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইকামা দেওয়া হবে—এমন তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।
সৌদি জাওয়াজাত বা পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরবর্তী নির্দেশনা ও আবেদনসংক্রান্ত তথ্য জানানো হবে।
নতুন নির্দেশনা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আবেদন শুরুর তারিখ, যোগ্যতার শর্ত, ফি ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পর্কে সরকারি ঘোষণা পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
সূত্র: সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)
