ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ইউওএলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১১ অক্টোবর) ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধিরা বিচ্ছেদের খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তবে তাঁদের বিচ্ছেদে কোনো ঝগড়া, নাটকীয়তা কিংবা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঘটনা নেই। বরং দুজনের পারস্পরিক সিদ্ধান্তেই সম্পর্কের ইতি ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।
ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধিদের ভাষ্য, ‘এই জুটি আর একসঙ্গে নেই। তাঁদের মধ্যে কোনো বিরোধ বা ঝগড়া হয়নি। তাঁরা শুধু যুগল হিসেবে আর একসঙ্গে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
তবে ঠিক কী কারণে তাঁদের সম্পর্ক ভেঙেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে ভার্জিনিয়ার একা ভ্রমণকে ঘিরে দুজনের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে সে সময় ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধিরা জানিয়েছিলেন, তাঁর সাবেক স্বামী ও সংগীতশিল্পী জে ফেলিপের সঙ্গে সন্তানদের সময় কাটানোর সুযোগ করে দিতেই ওই ভ্রমণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাই মায়ামি সফরকেই বিচ্ছেদের নিশ্চিত কারণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়ার প্রেমের গল্পের গতিপথও ছিল বেশ নাটকীয়। ২০২৫ সালের অক্টোবরে নিজেদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন তাঁরা। এরপর চলতি বছরের মে মাসে সম্পর্কে ছেদ পড়ে। তবে সেই বিচ্ছেদ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। জুলাইয়ে আবারও কাছাকাছি আসেন দুজন। তাঁদের পুনর্মিলনে ভক্তদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হলেও তিন মাস না পেরোতেই ফের বিচ্ছেদের খবর সামনে এল।
মাঠের পারফরম্যান্স ও ব্যক্তিগত জীবন—দুই দিকেই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে তাঁদের সম্পর্ক ভাঙার প্রকৃত কারণ এখনো অজানা।
