স্থানীয় কমিউনিটি সূত্র জানায়, পর্তুগালের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। আকস্মিক এ ঘটনায় পরিবার, স্বজন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয়দের কাছে জুনাইদ আলী ছিলেন ভদ্র, নম্র, মিশুক ও হাস্যোজ্জ্বল মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাঁর মৃত্যুতে বন্ধু, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে।
মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে চার বাংলাদেশির মৃত্যু
জুনাইদ আলীর মৃত্যুর আগে পর্তুগালে মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে আরও চার বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুর খবর সামনে আসে। কমিউনিটি সূত্র ও প্রকাশ্য বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত প্রায় এক মাসে দেশটিতে অন্তত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
এসব মৃত্যুর মধ্যে আকস্মিক অসুস্থতা, স্ট্রোক, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও দুর্ঘটনার মতো ঘটনা রয়েছে।
প্রবাসীদের অনেকেই জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ সময় কাজ করেন। শারীরিক পরিশ্রম, অনিয়মিত কর্মঘণ্টা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব, একাকিত্ব ও মানসিক চাপ স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে কোনো নির্দিষ্ট মৃত্যুর কারণ হিসেবে এসব বিষয়কে উল্লেখ করার আগে চিকিৎসা ও সরকারি নথিতে তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
সাম্প্রতিক এসব মৃত্যুর ঘটনায় পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
প্রবাসীদের দাবি, যারা একা থাকেন বা দীর্ঘ সময় কাজ করেন, তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশি কমিউনিটি সংগঠন, দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য স্বাস্থ্যসচেতনতা, জরুরি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন কমিউনিটির অনেকে।
