Amyal TV
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩

প্রথমবারের মতো উড়ল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাটারিচালিত উড়োজাহাজ!

ব্যাটারির শক্তিতে চলা বিশ্বের সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ প্রথমবারের মতো আকাশে উড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পরীক্ষামূলক এই উড্ডয়নের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক বিমান প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির দাবি করেছে সুইডিশ প্রতিষ্ঠান হার্ট অ্যারোস্পেস।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

প্রতিষ্ঠানটির তৈরি ‘এক্স১’ নামের উড়োজাহাজটি কোনো জ্বালানি ছাড়াই শুধু ব্যাটারির শক্তিতে প্রায় ২৭ মিনিট আকাশে উড়েছে। পরীক্ষামূলক এই ফ্লাইটে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ১০০ ফুট উচ্চতায় উঠেছিল উড়োজাহাজটি।

তবে এক্স১ যাত্রী পরিবহনের জন্য তৈরি করা হয়নি। হার্ট অ্যারোস্পেসের ভবিষ্যৎ হাইব্রিড আঞ্চলিক উড়োজাহাজের প্রযুক্তি পরীক্ষা করাই এর মূল লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের কাছাকাছি আকারের একটি বিমানে ব্যাটারিচালিত উড্ডয়ন ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হতে পারে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে তা যাচাই করা হচ্ছে।

এক্স১-এর ডানার বিস্তার প্রায় ১০৬ ফুট এবং দৈর্ঘ্য ৭৬ ফুট। উড়োজাহাজটির ওজন ২৫ হাজার পাউন্ডের বেশি। এতে ৩০টি আসনের ব্যবস্থা থাকলেও পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে যাত্রী ছিলেন না; শুধু একজন পাইলট উড়োজাহাজটি পরিচালনা করেন।

হার্ট অ্যারোস্পেসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডার্স ফর্সলুন্ড বলেন, এক্স১ মূলত একটি ‘উড়ন্ত পরীক্ষাগার’। ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক মোটর এবং উড্ডয়ন প্রযুক্তি পরীক্ষা করে পাওয়া তথ্য ভবিষ্যতের বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ তৈরিতে ব্যবহার করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বাণিজ্যিক প্রকল্প ইএস-৩০। এটি ৩০ আসনের একটি হাইব্রিড আঞ্চলিক উড়োজাহাজ। হার্ট অ্যারোস্পেসের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩১ সালের দিকে এই উড়োজাহাজ বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহন শুরু করতে পারে। ইউনাইটেড এয়ারলাইনস, এয়ার কানাডা ও জেএসএক্সসহ কয়েকটি বিমান সংস্থা ইএস-৩০ নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে।

হাইব্রিড উড়োজাহাজের অন্যতম লক্ষ্য কার্বন নিঃসরণ কমানো। পাশাপাশি জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমানোর সম্ভাবনাও বিমান সংস্থাগুলোর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

হার্ট অ্যারোস্পেসের দাবি, একই আকারের প্রচলিত আঞ্চলিক উড়োজাহাজের তুলনায় ইএস-৩০ পরিচালনায় খরচ সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। এমনকি এক্স১-এর একটি পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে বিদ্যুতের খরচ হয়েছে প্রায় পাঁচ ডলার বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে এই হিসাব দিয়ে ভবিষ্যতের প্রকৃত পরিচালন ব্যয় নির্ধারণ করা যাবে না। কারণ এর মধ্যে পাইলট ও কর্মীদের বেতন, বিমানবন্দর ফি, রক্ষণাবেক্ষণ, বিমা এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির সক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো খরচ অন্তর্ভুক্ত নেই।

তাই হাইব্রিড-ইলেকট্রিক উড়োজাহাজ বাণিজ্যিকভাবে চালু হলে বিমান সংস্থাগুলো কতটা সাশ্রয় করতে পারবে, কিংবা এর সুফল যাত্রীদের টিকিটের দামে কতটা প্রভাব ফেলবে—তা এখনো ভবিষ্যতের বিষয়।

তবে এক্স১-এর এই পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন আকাশপথে বৈদ্যুতিক প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন পেশাজীবী দলের মুখপাত্র- নাফিজ মাহবুব

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ‘গাদ্দারি’...