নিলামে তোলা মাছের মধ্যে রয়েছে ১০ টন গলদা চিংড়ি, ৫ টন বাগদা চিংড়ি এবং ৫ টন রুপচাঁদা। বর্তমানে এসব মাছ খুলনার বাটিয়াঘাটার ভান্ডারকোটে ট্রাস্ট সি-ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রসেসিং প্ল্যান্টে সংরক্ষিত রয়েছে।
টিসিবি জানিয়েছে, নিলামে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রোববার ও সোমবার সরেজমিনে মাছ পরিদর্শন করতে পারবেন। আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে নিলাম।
টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কুয়েত সরকারকে চাল, মাছসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কুয়েত সরকার তখন নিজেদের নিয়মিত ফ্লাইটে এসব পণ্য নিয়ে যাওয়ার কথা জানায়। গত এপ্রিল মাসে উপহারের পণ্য নেওয়ার কথা থাকলেও চাল নিলেও মাছ নেয়নি কুয়েত।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাছ পচনশীল পণ্য হওয়ায় বাণিজ্যিক ফ্লাইটে পরিবহনে কুয়েত সরকারের অনাগ্রহ ছিল। ফলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর মাছগুলো নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় টিসিবি।
১৮ আগস্ট নিলামের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। নিলামে অংশ নিতে আগ্রহীদের কমপক্ষে ৫০০ কেজি মাছ কিনতে হবে। পাশাপাশি নিজস্ব প্যাডে মাছের ধরন, পরিমাণ, প্রতি কেজির দর, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল ও ঠিকানা উল্লেখ করে দরপত্র জমা দিতে হবে।
নিলামে অংশ নিতে সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা ফেরতযোগ্য জামানত দিতে হবে। গলদা, বাগদা ও রুপচাঁদার জন্য আলাদাভাবে দরপ্রস্তাব ও জামানত জমা দিতে হবে। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র বা ট্রেড লাইসেন্সের কপিও দিতে হবে।
নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। বিজয়ীকে নির্ধারিত দরের ওপর ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে এবং নিলামের তিন কর্মদিবসের মধ্যে পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এরপর নিজ খরচে তিন দিনের মধ্যে কোল্ডস্টোরেজ থেকে মাছ বুঝে নিতে হবে।
টিসিবির মুখপাত্র ও উপপরিচালক শাহাদত হোসেন জানান, ফ্লাইট জটিলতার কারণে মাছগুলো কুয়েতে পাঠানো সম্ভব হয়নি। তাই নিয়ম অনুযায়ী এগুলো নিলামে তোলা হচ্ছে।
