এই নজিরবিহীন দরপতনে ইরানের অর্থনীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিয়ালের মূল্য কমে যাওয়ায় খাদ্য, ওষুধ ও শিল্পের কাঁচামালসহ আমদানি করা পণ্যের খরচ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
এদিকে ইরানের মুদ্রার এই রেকর্ড দরপতনকে কেন্দ্র করে দেশটির সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন নির্বাসিত সাবেক যুবরাজ রেজা পাহলভি। বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে তিনি জনগণকে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মুদ্রাবাজারের এই অস্থিরতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা, অর্থনৈতিক চাপ এবং কূটনৈতিক অচলাবস্থার আশঙ্কা বড় ভূমিকা রাখছে। ফলে আগামী দিনগুলোতে রিয়ালের পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তেহরানের প্রতিক্রিয়ার ওপর।
রেকর্ড দরপতনের ফলে ইরানের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি এই পরিস্থিতি দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতাকেও আরও গভীর করতে পারে।
