Amyal TV
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
১২ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
১২ কার্তিক ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করল ইরান!

ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। তবে তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন চাপের কাছে তারা নতি স্বীকার করবে না এবং প্রয়োজনে পাল্টা জবাব দেবে।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

সোমবার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা দেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তবে এবার সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে বিরত থেকেছেন তিনি। বেসেন্ট সতর্ক করে বলেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরশীল বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

তবে কোন কোন দেশকে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে এবং তা কবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি মার্কিন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন নির্দেশনা মেনে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে সময় দেওয়া হবে।

এরই মধ্যে ইরানের ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে ইরানের তেল বাণিজ্যে সহায়তার অভিযোগ থাকা চীনের কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এবার তালিকায় রাখা হয়নি।

নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার আগেই ইরান সতর্ক করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিলে সামরিক জবাবের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি আরও কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।

ইরানের অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত। তাঁর দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হলেও দেশটির হাতে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার মতো নিজস্ব সক্ষমতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চীন ও রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের এসব পদক্ষেপ মেনে নেয়নি। অন্য দেশগুলোও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর—আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ এবং জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোতে বড় ধরনের আঘাত হানা হবে।

এদিকে, দীর্ঘদিনের সংঘাতের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক অগ্রগতির তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এবং মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রায় ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে ইরানের সামরিক সক্ষমতার বড় একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটির অর্থনীতিতেও চাপ বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রাণহানি হয়েছে হাজারো মানুষের।

তবে ইরানের হাতে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতা রয়েছে। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

এদিকে, নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা সত্ত্বেও সোমবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি দুই ডলারের বেশি কমেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বাজারে সতর্ক অবস্থান ধরে রেখেছেন বিনিয়োগকারীরা।

চট্টগ্রাম বিভাগে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন পেশাজীবী দলের মুখপাত্র- নাফিজ মাহবুব

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ‘গাদ্দারি’...