বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা সোয়া ২টার দিকে উপজেলার মিঠাদিঘী এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বান্দরবান থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অটোরিকশায় করে লোহাগাড়ায় ফিরছিলেন আবদুস সবুর। পথে একটি কাভার্ড ভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে সেটি কাভার্ড ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু আফনানের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন তাঁর বাবা আবদুস সবুর।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা সবুরকে উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগাড়া উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাবার সঙ্গে হাসপাতালে থাকা অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আফনানের দাফন সম্পন্ন হয়। গুরুতর আহত থাকায় ছেলের জানাজা ও দাফনে উপস্থিত থাকতে পারেননি আবদুস সবুর।
নিহত আফনানের চাচা আবদুল হালিম বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকায় বুধবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বান্দরবানে বেড়াতে গিয়েছিলেন তাঁর ভাই। ফেরার পথে দুর্ঘটনায় ভাইয়ের এক ছেলে মারা যায়। ভাই গুরুতর আহত হওয়ায় তাঁকে ছাড়াই আফনানের দাফন সম্পন্ন করতে হয়েছে।
আবদুস সবুর বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের মধ্যম গুনাগরী জহুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। চাকরির সুবাদে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তিনি লোহাগাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করেছে। তবে এর চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানায়, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
