এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলাকালে সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকার মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে বিকল্প হিসেবে সেতু দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলো টোলমুক্ত থাকবে। সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীরাও সেতু দুটি ব্যবহার করতে পারবেন।
তবে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সেতুগুলোতে যানবাহনের উচ্চতার নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সীমার বেশি উচ্চতার কোনো যানবাহন সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারবে না।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সার্ভিস সেতু চালুর ফলে উত্তরা-আশুলিয়া ও আশুলিয়া-ঢাকা রুটে যান চলাচল সহজ হবে। একই সঙ্গে মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজও নির্বিঘ্নে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ইপিজেড থেকে আশুলিয়া হয়ে কাওলা পর্যন্ত সংযোগ স্থাপিত হবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে। এর ফলে বিমানবন্দর থেকে কুড়িল, বনানী, তেজগাঁও হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ নিরবচ্ছিন্ন উড়ালসড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে।
এ ছাড়া সাভার ও বাইপাইল এলাকার যানজট কমাতে বাইপাইল মোড়ে মাল্টি-লেভেল ইন্টারচেঞ্জ, বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য বিশেষ র্যাম্প এবং মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-১ স্টেশনে যাতায়াতের জন্য পৃথক সংযোগও নির্মাণ করা হচ্ছে।
