Amyal TV
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩

শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও বিএবির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে প্রায় ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

বৃহস্পতিবার তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধান-সংক্রান্ত নথিতে বলা হয়েছে, দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়মনীতি অনুসরণ করা হয়নি।

অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, ব্যাংকারদের সংগঠন বিএবির নির্বাহী কমিটির সভার আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের নথি অনুযায়ী, বাংলাদেশে কার্যরত ৪১টি তফসিলি ব্যাংক থেকে তথ্য ও বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে সেগুলো পর্যালোচনা করা হয়। এতে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

৪১ ব্যাংক থেকে সংগ্রহ ২৭৬ কোটি টাকা

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএবির তৎকালীন সভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মজুমদারের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এরপর ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর-সংক্রান্ত নীতিমালা পর্যালোচনা করে দুদক জানিয়েছে, এ ধরনের তহবিল থেকে মেমোরিয়াল ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা বা নীতিমালা পাওয়া যায়নি।

৬৭ কোটি টাকার ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন

ব্যাংক থেকে অর্থ সংগ্রহের পাশাপাশি ট্রাস্টের আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা বড় অঙ্কের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে দুদক।

অনুসন্ধান নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৬-১৭ থেকে ২০২২-২৩ করবর্ষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের দাখিল করা আয়কর রিটার্নে ৬৭ কোটি ৫৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৪৯ টাকা ব্যয়ের তথ্য পাওয়া যায়।

তবে এসব ব্যয়ের পক্ষে ভাউচারসহ প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র চাওয়া হলেও তা পাওয়া যায়নি বলে অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে দুদক।

এ ঘটনায় সংগৃহীত অর্থ, এর ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে আরও তদন্ত করবে দুর্নীতি দমন কমিশন।

চট্টগ্রাম বিভাগে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন পেশাজীবী দলের মুখপাত্র- নাফিজ মাহবুব

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ‘গাদ্দারি’...