শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সরকার গঠনের পরপরই জনগণের কাছ থেকে এমন অসন্তোষের কথা তিনি খুব কমই শুনেছেন। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষের একটি অংশ এখন দলটিকে আর ভোট দিতে চান না।
লং মার্চে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে এলডিপি সভাপতি বলেন, এত সকালে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি তাঁদের কর্মসূচির প্রতি সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ। এ সময় তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের ভোরে ঘুম থেকে ওঠার বিষয়েও মন্তব্য করেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পুরোনো বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে অলি আহমদ প্রশ্ন করেন, অতীতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে যে অবস্থান নেওয়া হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে সে বিষয়ে বিএনপির অবস্থান কী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন অলি আহমদ। একই সঙ্গে দেশ পরিচালনায় সৎ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দিয়ে দেশ পরিচালনা সম্ভব নয়।
১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি প্রসঙ্গে এলডিপি সভাপতি বলেন, জনগণের দাবি-দাওয়া মেনে নিতে সরকারকে বাধ্য করতে নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি চালিয়ে যাবে জোট। তিনি দাবি করেন, তাদের প্রথম ধাপের কর্মসূচি শেষ হয়েছে এবং এখন দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে।
লং মার্চ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল রাখার আহ্বান জানিয়ে অলি আহমদ বলেন, তাঁদের কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ। তবে গন্তব্যে যাওয়ার পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তা শক্তভাবে মোকাবিলা করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, তাঁরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সংঘাতের জন্য নয়, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই লং মার্চ করছেন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ১১ দলীয় জোট তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
