রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে ইউনিয়নের মুসা মাওলানা পাড়া গ্রামের এহু হোসেনের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এহু হোসেনের বাড়ির মাটির নিচে অন্তত ৩০টি ককটেল পুঁতে রাখা ছিল। রাতের দিকে ককটেলগুলো একযোগে বিস্ফোরিত হলে বিকট শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এতে আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান। পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এহু হোসেন ওই গ্রামের মো. ইসহাক আলীর ছেলে। তার বাড়ির মাটির নিচে কীভাবে বিপুলসংখ্যক ককটেল মজুত করা হয়েছিল, সে বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিস্ফোরণের ঘটনায় বসতবাড়ির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ককটেলগুলো কী উদ্দেশ্যে সেখানে পুঁতে রাখা হয়েছিল, কারা এগুলো মজুত করেছিল এবং কীভাবে একযোগে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, একটি বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ককটেলগুলো মাটির নিচে মজুত করে রাখা হয়েছিল। তবে যে ব্যক্তির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত কি না, তা এখনো জানা যায়নি।
ওসি আরও জানান, বিস্ফোরণের ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ককটেলগুলো সেখানে কীভাবে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত থাকতে পারেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে ককটেলগুলো মাটির নিচে মজুতের কারণ ও বিস্ফোরণের পেছনে কী ঘটেছিল, তা বের করার চেষ্টা চলছে।
