রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাদশা আলম।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাকিমপুর উপজেলার পালপাড়া গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়িতে পাওনা টাকা চাইতে যান ওই নারী। এ সময় রুহুল আমিন, শুকুর আলী ও ফেরদৌস হোসেন তাকে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার সময় অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন এবং বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখান।
পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে ওই বাড়ি থেকে আটক করেন। খবর পেয়ে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়।
পরে ভুক্তভোগীর মায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে থানায় গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়। মামলার পর রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি ফেরদৌস হোসেন পলাতক রয়েছেন।
হাকিমপুর থানার ওসি মো. বাদশা আলম বলেন, রোববার দুপুরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
