গত বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সচিবালয় স্থানান্তরের প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ইতিমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে চিঠি দিয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি নিয়ে শিগগিরই পরিকল্পনা কমিশনে একটি আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
এদিকে, নতুন সচিবালয় নির্মাণের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজও চলছে। এরই মধ্যে প্রস্তাবিত ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি প্রাথমিক নকশা বা লে-আউট তৈরি করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। প্রকল্পের পরবর্তী ধাপগুলো এই নকশা ও সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নতুন সচিবালয়ের নকশা প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পরামর্শগুলো বিবেচনায় নিয়েই প্রকল্পের পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
নতুন সচিবালয় নির্মাণ ও স্থানান্তরের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর প্রশাসনিক অবকাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তবে প্রকল্পের চূড়ান্ত ব্যয়, নির্মাণকাজ শুরুর সময় এবং স্থানান্তরের নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানানো হয়নি।
