Amyal TV
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩

‘আওয়ামী লীগ-বিএনপি কি একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ’—প্রশ্ন সোহেল তাজের

ইতিহাস আড়াল ও বিকৃতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ও বিএনপির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। তার মতে, কোনো নিরপেক্ষ ব্যক্তি বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করলে স্পষ্ট দেখতে পাবেন, ইতিহাস বিকৃতির ক্ষেত্রে এই দুই দল রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন সোহেল তাজ।

পাঠকদের জন্য সোহেল তাজের দেওয়া ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

আওয়ামী লীগ = বিএনপি কি একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ?

ইতিহাস আড়াল আর বিকৃতি করার বিষয়ে যদি কোনো নিরপেক্ষ ব্যক্তি পর্যবেক্ষণ করেন, তাহলে তার কাছে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হবে যে, এই দুই দল রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন ব্যক্তিকে বড় করার জন্য, সর্বশ্রেষ্ঠ বানানোর জন্য গোয়েবেলসীয় কায়দায় নানাভাবে ব্যাপক অপতৎপরতা চালান, যার অন্যতম ছিল বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতি করা। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও আরও অনেকের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনার আমলে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, এ কে ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানী, তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতা—বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব ও তাৎপর্য আড়াল এবং ছোট করা হয়েছে। একইভাবে জেনারেল ওসমানীসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অবদানও ছোট করা হয়েছে বা আড়াল করা হয়েছে।

এমনকি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সৈনিক জিয়াউর রহমান, যিনি স্বপ্রণোদিত হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে সংশোধন করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে পুনরায় ঘোষণা করেন, পাশাপাশি বীরত্বের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাকেও রাজাকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন সোহেল তাজ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের কাছে বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। কিন্তু তিনি লক্ষ্য করেছেন, ইতিহাস আড়াল ও বিকৃতির ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের মতোই পাঠ্যপুস্তকে আবারও অন্য একটি ধারায় ইতিহাস আড়াল ও বিকৃতি শুরু হয়েছে। বিষয়টিকে তিনি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সোহেল তাজ বলেন, একটি দেশের ইতিহাস থেকে নতুন প্রজন্ম অনেক ইতিবাচক বিষয় জানতে, শিখতে এবং অনুপ্রাণিত হতে পারে। পরবর্তীতে তারাই সেই দেশকে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

তাই একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব হচ্ছে, নিরপেক্ষভাবে ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড ও অবদানকে রাজনীতির বাইরে রেখে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। ইতিহাসকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে রেখে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হলে নতুন প্রজন্ম দেশের অতীত সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করতে পারবে—এমনটাই মনে করেন সোহেল তাজ।

চট্টগ্রাম বিভাগে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন পেশাজীবী দলের মুখপাত্র- নাফিজ মাহবুব

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ‘গাদ্দারি’...