প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যারন তাঁর অবসর সময়ের বড় একটি অংশ নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ ক্লাবে মা মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে কাটিয়েছেন। ট্রাম্প পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, ব্যারন খুব একটা বাইরে বের হন না এবং ব্যক্তিগত জীবনকে জনসম্মুখ থেকে দূরে রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
সম্প্রতি রক্ষণশীল অ্যাক্টিভিস্ট চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ব্যারনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে বলে জানা গেছে। বাবার সঙ্গে এ ঘটনা নিয়ে কথা বলার সময় তিনি মন্তব্য করেন, ‘বাইরে বের হলে এটাই ঘটে।’
ব্যারনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সংবাদমাধ্যমে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছে মেলানিয়া ট্রাম্পের দপ্তর। একই সঙ্গে ছেলের জনসমক্ষে না আসার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন ফার্স্ট লেডি।
এর মধ্যেই ব্যারনকে ঘিরে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়। সম্প্রতি ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ব্যারনের গতিবিধি নিয়ে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। সেখানে তাকে হত্যার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারের দাবি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে মেলানিয়া ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তৈরি আরেকটি ভিডিওর শেষেও ব্যারনকে উদ্দেশ করে হুমকিমূলক বার্তা দেওয়া হয়েছিল।
বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসও অবগত রয়েছে। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংস্থাটির মুখপাত্র নেট হেরিং জানান, তারা হুমকির বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এবং তা তদন্ত করে দেখছেন।
তবে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসিন রেজাই ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার কোনো ষড়যন্ত্রের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। লেবাননের আল মানার টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ ধরনের দাবিকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেন।
সব মিলিয়ে, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর প্রভাবে ব্যারন ট্রাম্প এখন আগের চেয়ে আরও বেশি ব্যক্তিগত ও নিরিবিলি জীবন বেছে নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
