মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান র্যাব-১০-এর মিডিয়া কর্মকর্তা ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার। এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মাগুরা সদর উপজেলার নান্দুয়ালী গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে মো. মিন্টু আলী (৩৬) এবং চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী গ্রামের আলী হোসেনের মেয়ে মোছা. নুরজাহান বেগম (৪২)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে র্যাব-১০-এর সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল কাপুড়িয়া সদরদী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি করে ১৩৮ বোতল অবৈধ স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা। তাঁদের কাছ থেকে তিনটি মুঠোফোনও জব্দ করা হয়েছে।
র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তাঁরা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে স্কাফ সিরাপসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ ও বিক্রি করে আসছিলেন।
পরে উদ্ধার করা মাদক ও অন্যান্য আলামতসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১০-এর অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে র্যাব ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে। তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
