বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিমটি অভিযোগগুলো অনুসন্ধান করবে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অন্য তিনজন হলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণ, মানিলন্ডারিং, বিদেশে অর্থপাচার এবং অবৈধ বিটকয়েন লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও করা হয়েছে।
সূত্রের দাবি, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্রিকেট বোর্ডের কার্যক্রমে সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের মাধ্যমে বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে।
দুদক সূত্র আরও জানায়, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
