স্থানীয়রা জানান, ওই কক্ষের দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ থাকত। নিহত নারী ও পুরুষ স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ওই বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন। শুক্রবার রাতে কক্ষের ভেতর থেকে তীব্র পচা দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষটির দরজা খুলে ভেতর থেকে নারী, পুরুষ ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা মরদেহগুলোর মধ্যে পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ কারণে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগেই ওই তিনজনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার এসআই রাসেল হোসেন জানান, তিনজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ হওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালাবদ্ধ কক্ষটি খুলে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত নারী ও পুরুষ স্বামী-স্ত্রী ছিলেন। তবে তাদের পরিচয় ও স্থায়ী ঠিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং তিনজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী—তা জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
