Amyal TV
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানায়নি ভারত: স্পিকার

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে এখন পর্যন্ত ভারতও একই ধরনের সম্পর্ক চায়—এমন কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

তিনি বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। একই সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক সমমর্যাদা, সার্বভৌমত্ব ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণের বিষয়ে স্পিকার বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তো তারা এখনো ইনভাইট করেনি।”

ভারতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে আশ্রয় দেওয়া এবং সেখান থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। হাফিজ উদ্দিন আহমেদের মতে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ প্রত্যাশিত নয়।

তিনি বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারাও যে সুসম্পর্ক চায়, তেমন কিছু দেখা যাচ্ছে না। কেবলমাত্র দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে কথাবার্তা চালাচালি হচ্ছে।”

বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীসুলভ ও সমমর্যাদার সম্পর্ক চায় উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক হতে হবে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পারস্পরিক মর্যাদা ও সম্মানের ভিত্তিতে।

অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা সেই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না। সমমর্যাদার ভিত্তিতে একটা সার্বভৌম দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে মর্যাদার ভিত্তিতে যে সম্পর্ক থাকা উচিত, আমরা সেই ধরনের সম্পর্কই চাই।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোনো একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে বিশ্বের সব রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

এদিকে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংস্কার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছেন। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস। ফলে গত ১৭ বছরে দেশে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সময় লাগবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংস্কার কার্যক্রমের বিষয়ে স্পিকার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে সংসদে ঐকমত্য তৈরি হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন এবং সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।

স্পিকার বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে একটি কার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐকমত্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সব পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে চলমান সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন পেশাজীবী দলের মুখপাত্র- নাফিজ মাহবুব

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ‘গাদ্দারি’...