মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে এ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান। তিনি জানান, কে বা কারা ককটেল ছুড়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাত নেতার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পরপরই সুপ্রিম কোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনার প্রবেশপথে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
