ফাইনালের প্রথম গেমেই ১–০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিলেন কুরিহারা। তবে এরপর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের গেমগুলোতে আধিপত্য ধরে রাখেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০–২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে মাত্র ১১ বছর বয়সেই এশিয়ান গেমসের সোনার পদক নিজের করে নেন এই জাপানি খেলোয়াড়।
এত অল্প বয়সে সোনা জিতেও অবশ্য বড় কোনো উল্লাসে মাতেননি কুরিহারা। বরং সাফল্যের পর কিছুটা লজ্জাই পেয়েছেন তিনি। নিজের অনুভূতি জানিয়ে কুরিহারা বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি একটু লজ্জা পেয়েছিলাম। তাই ঠিকমতো অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারিনি। মুখের ভাবও খুব একটা পরিবর্তন করতে পারিনি।’
তবে সোনার পদক হাতে পাওয়ার অনুভূতি লুকাননি ১১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। পদক নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে কুরিহারা বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব খুশি। সোনার পদকটা খুব সুন্দর, চকচকে ও ভারী।’
এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী পদকজয়ীর কোনো নির্ভরযোগ্য ও সর্বজনীন রেকর্ড অবশ্য নেই। তবে এর আগেও কিশোর বয়সে এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের নজির রয়েছে।
২০১৮ সালের জাকার্তা এশিয়ান গেমসে ইন্দোনেশিয়ার বুংগা নিয়ামাস ১২ বছর বয়সে মেয়েদের স্কেটবোর্ডিংয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন। এর তিন বছর পর হাংজু এশিয়ান গেমসে মাত্র ১৩ বছর বয়সে মেয়েদের স্ট্রিট স্কেটবোর্ডিংয়ে সোনা জিতেছিলেন চীনের চুই চেনসি।
এবার সেই তরুণ পদকজয়ীদের তালিকায় নিজের নামও যুক্ত করলেন জাপানের ইউকি কুরিহারা। মাত্র ১১ বছর বয়সে এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ক্রীড়াঙ্গনে নিজের জন্য তৈরি করেছেন অনন্য এক স্মরণীয় অধ্যায়।
