ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি প্রথমে আন্তর্জাতিক জরুরি সংকেত বা ‘স্কোয়াক কোড’ ৭৬০০ অথবা ৭৭০০ পাঠায়। এর কিছুক্ষণ পর বিমানটি ৭৫০০ কোড পাঠায়, যা সাধারণত বিমান ছিনতাই বা কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপের সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এমন সংকেত পাওয়ার পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলোকে ওই বিমানের দিকে পাঠানো হয়েছিল বলে নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় হিব্রু ভাষার বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হয়, পরিস্থিতি নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী জরুরি বৈঠক করেন।
তবে পরে ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্র জানায়, বিমানটিতে সাধারণ জরুরি সংকেত এবং ‘অবৈধ হস্তক্ষেপের’ মতো সংকেত পাঠানোর পেছনে অন্য কোনো হামলা বা ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল না। বরং ফ্লাইটের পাইলটদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাকে এর মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জরুরি অবতরণের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটির জরুরি অবতরণ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। একই সঙ্গে বিমানটিতে থাকা ইসরায়েলি যাত্রীদের নিরাপদে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্র আরও জানিয়েছে, বিমানটি অবতরণের পর ঘটনাটির প্রকৃত কারণ ও কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আরও পরিষ্কার ধারণা পাবে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে এর চেয়ে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
