Amyal TV
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩

৭০ বছর পর আবার আসাম থেকে নৌপথে বাংলাদেশে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল শুরু

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর প্রথমবারের মতো ভারতের আসাম থেকে সরাসরি জলপথে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পণ্যবাহী বাণিজ্যিক চালান পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) আসামের ডিব্রুগড়ের বগিবিল টার্মিনাল থেকে ৫৪০ টন মিথানল নিয়ে একটি বার্জ ঢাকার পানগাঁও অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

দীর্ঘ প্রায় সাত দশক পর এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের মধ্যে অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। ডিব্রুগড়ের ঐতিহাসিক নৌঘাট বন্ধ হওয়ার প্রায় ৭০ বছর পর আবারও এ পথে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন শুরু হলো।

ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও নৌপথবিষয়ক মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল বগিবিল টার্মিনাল থেকে ‘ডিএলবি পাতকাই’ নামের বার্জটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা উদ্বোধন করেন। বার্জটিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ‘কুশল কুনওয়ার’ নামের একটি শক্তিশালী টাগবোট। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

আসামের নামরূপে অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেডের উৎপাদিত মিথানল নিয়ে বার্জটি ভারতের ন্যাশনাল ওয়াটারওয়ে-২ বা ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছাবে। এরপর ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল রুট ব্যবহার করে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীপথ হয়ে বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত পানগাঁও নৌবন্দরে পৌঁছাবে চালানটি।

ডিব্রুগড় থেকে পানগাঁও পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার জলপথ পাড়ি দেবে এই পণ্যবাহী চালান।

সর্বানন্দ সোনোয়াল এ উদ্যোগকে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বহুমুখী যোগাযোগ বাড়ানোর অংশ হিসেবেই এ বাণিজ্যিক নৌপথ চালু করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, উনিশ শতকে পূর্ব ভারতের অন্যতম ব্যস্ত নদীবন্দর ছিল ডিব্রুগড়। ১৮৫৬ সাল থেকে কলকাতা ও ডিব্রুগড়ের মধ্যে নিয়মিত স্টিমার চলাচল করত। এসব নৌযানে চা, কাঠ ও যাত্রী পরিবহন করা হতো।

তবে ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর এই নৌবাণিজ্য কার্যক্রমে বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়। পরে ১৯৫০ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে নদীর তলদেশের পরিবর্তন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ১৯৫৪ সালে পণ্য বুকিং বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৯৫৬ সালের ১৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ডিব্রুগড় নৌঘাট বন্ধ হয়ে যায়।

প্রায় সাত দশক পর আবারও এই নৌপথে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক যোগাযোগব্যবস্থাটি নতুন করে সচল হলো।

চট্টগ্রাম বিভাগে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন পেশাজীবী দলের মুখপাত্র- নাফিজ মাহবুব

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ‘গাদ্দারি’...