‘স্বৈরাচারবিরোধী সাধারণ জনগণ’ ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও সাধারণ নাগরিকেরা অংশ নেন।
জানা গেছে, বিক্ষোভকারীরা জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় তাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিচার ও গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
বিক্ষোভ মিছিলে ব্যবহৃত ব্যানারে কারাগারে বন্দি জিএম কাদেরের প্রতিকৃতি তুলে ধরা হয়। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ; জিএম কাদেরের গ্রেপ্তার চাই’ এবং ‘ফ্যাসিবাদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না’।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে শত শত মানুষের প্রাণহানির মধ্য দিয়ে দেশে যে পরিবর্তন এসেছে, তার পরও জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
বিক্ষোভে বক্তারা বলেন, বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারকে রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়ার ভূমিকা পালন করেছিল বলে তাঁরা মনে করেন। তাঁদের দাবি, নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের সহযোগীদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
এ সময় জিএম কাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা।
