রোববার সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের অন্যতম কারণ বৈশ্বিক পরিস্থিতি। বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকাতেও গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, কোথাও কোথাও গ্যাসের অভাবে কলকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সংকটপ্রবণ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
রিজভী আরও বলেন, সংকটের মধ্যেও সরকার জনগণের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। জনসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সরকারের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন বিএনপির এই নেতা। তাঁর ভাষ্য, সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে হবে এবং জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি বলেন, দায়িত্বশীল সরকার কীভাবে জনসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও জনকল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে পারে, তার উদাহরণ বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে দেখিয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মো. জহির উদ্দিন স্বপনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
