রোববারের এ ঘটনায় আরও অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী কোনাক্রির দার-এস-সালাম এলাকায় স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগে পুরো রাতজুড়ে ওই এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়।
আবর্জনার স্তূপ ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারে সামরিক বাহিনীসহ বিপুলসংখ্যক উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়। ঘটনাস্থলে খননযন্ত্র ব্যবহার করে চলছে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান।
স্থানীয় এক নারী জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনায় তাঁর পাঁচ সন্তান মারা গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কা থাকায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযান তদারকি করতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গিনির প্রধানমন্ত্রী মামাদু উরি বাহ। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে স্বজনদের খোঁজ নিতে থাকেন।
দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বর্ষাকালের ভারী বৃষ্টিপাতকে এই দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় নেতা লানসিনে সিলা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা এরই মধ্যে ১৮টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন এবং সেগুলো মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, একই স্থানে ২০১৭ সালেও আবর্জনার স্তূপ ধসে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এবারও একই ধরনের দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় দেশটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
