স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত রাজুর বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায়। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান দেশে থাকেন।
শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্রুকলিনের রকঅ্যাওয়ে অ্যাভিনিউয়ের ‘আমেরিকান বেস্ট উইংস অ্যান্ড পিৎজা’ নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাত ১২টা ১ মিনিটে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ দুজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের ব্রুকলিন হেলথ-ব্রুকডেল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা রাজুকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বুকে গুলি লেগেছিল। আহত রাসেলের ঊরুতে গুলি লেগেছে এবং তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলার ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার কারণ ও হামলাকারীকে শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাসেল গণমাধ্যমকে জানান, এক ব্যক্তি দোকানে ঢুকে কোনো কথা না বলে তাঁকে গুলি করেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত রাজুকেও গুলি করা হয়।
দোকানের মালিক আবদুল জলিল জানান, রাজু তাঁর বন্ধু ছিলেন এবং দোকানটি নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মতো দেখভাল করতেন। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের কংশনগর গ্রামে।
আবদুল জলিল বলেন, প্রায় তিন বছর আগে রাজু যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেখানে তাঁর কোনো নিকট আত্মীয়স্বজন ছিলেন না। রাজুর মরদেহ দেশে পাঠাতে বাংলাদেশি কমিউনিটির সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
এদিকে, নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীরা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত বন্দুকধারীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
