ভাষণে এআই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আর্টিফিশিয়াল’ শব্দটি ব্যবহার করলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে অনেকটা নকল বা কৃত্রিম কোনো বিষয় হিসেবে মনে হয়। তবে তার মতে, এআই কোনো নকল বিষয় নয়; বরং এটি অসাধারণ একটি প্রযুক্তি।
তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনার কথা বলার পাশাপাশি এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এরপর ট্রাম্প বলেন, “সুপার ইন্টেলিজেন্সের নতুন জগতে স্বাগতম।”
এআই নিয়ে এর আগেও একাধিকবার নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রকে শীর্ষ অবস্থানে রাখার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।
গত সপ্তাহেও এআই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ যার হাতে, সে-ই জিতবে।”
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ বা নতুন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়েও ট্রাম্পের অবস্থান অন্য অনেক দেশের তুলনায় ভিন্ন। তিনি এআই খাতে অতিরিক্ত সরকারি নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে আসছেন।
এ কারণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে জড়ো হওয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও নেতাদের মধ্যে এআই নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে যেসব আলোচনা চলছে, তার সঙ্গে ট্রাম্পের অবস্থানের পার্থক্য রয়েছে।
বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের মধ্যে এর ব্যবহার, নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে এআইকে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রযুক্তিটির গুরুত্ব ও সম্ভাবনার বিষয়টি তুলে ধরলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
