মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, ১৯৯৬ সালের মতো এবারও জামায়াত আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নামার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে আবারও রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যেই এমন তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
সম্প্রতি আলোচিত ‘মক্কা সামরিক চুক্তি’ প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। রাশেদ খান বলেন, এনসিপির প্রধান নাহিদ ইসলাম, জামায়াতসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল এই চুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। জনগণের একটি বড় অংশও বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করেই সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।
ডাকসুর জিএস পদ ফিরে পাওয়ার প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, তৎকালীন নির্বাচনে তিনি জিএস এবং নুরুল হক নুর ভিপি পদে জয়ী হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের ইশারায় তাঁকে পরাজিত দেখানো হয়েছিল। পরবর্তীতে জিএস পদ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকারকে সম্মান জানিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলে ফেরার বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, কেউ নিজের ভুল স্বীকার করে দলে ফিরতে চাইলে দলীয় হাইকমান্ড তাঁর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। তবে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করেছেন, তাঁদের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।
