পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গীর কেরানীরটেক মাদক বস্তি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে পরিচিত রানী বেগমের ছেলে রাহুলকে গ্রেপ্তার করে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। রাহুলের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর রাহুলকে হাতকড়া পরিয়ে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন হয়ে থানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন পুলিশ সদস্যরা। পথে স্টেশন এলাকার রেললাইন থেকে একদল ব্যক্তি পাথর কুড়িয়ে পুলিশের ওপর নিক্ষেপ শুরু করে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পাথরের আঘাতে কনস্টেবল মাসুদ আহত হন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা রেললাইন থেকে একের পর এক পাথর ছুড়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে থাকে। এতে পুলিশ সদস্যরা বাধার মুখে পড়লে সেই সুযোগে হামলাকারীরা হাতকড়াসহ গ্রেপ্তার রাহুলকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পরে স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় হাতকড়াটি উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি রাহুলকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর রাতেই তাকে উদ্ধারের পাশাপাশি পুলিশের ওপর হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদুল আলম বলেন, পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাহুলকে গ্রেপ্তারের পর থানায় নিয়ে আসার সময় একদল মাদক কারবারি পুলিশকে লক্ষ্য করে রেললাইন থেকে পাথর ছুড়তে থাকে। বৃষ্টির মতো পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় কনস্টেবল মাসুদ আহত হন।
ওসি আরও বলেন, পুলিশের ওপর হামলার একপর্যায়ে হামলাকারীরা সুযোগ নিয়ে হাতকড়াসহ আসামি রাহুলকে ছিনিয়ে নেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে হাতকড়াটি উদ্ধার করা হয়েছে। ছিনিয়ে নেওয়া আসামি ও পুলিশের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
