মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠি কলোনির আহসান হাবিবের ভাড়াবাড়ি থেকে নুরুজ্জামানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বরিশাল আদালতের এক আইনজীবীর মুহুরি হিসেবে কাজ করতেন।
নুরুজ্জামান হাওলাদার মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের পূর্ব তয়কা গ্রামের মৃত সাত্তার হাওলাদারের ছেলে। চাকরির সুবাদে তিনি স্ত্রী নাসিমা বেগমকে নিয়ে ইছাকাঠি এলাকার ওই ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কয়েক দিন ধরে নুরুজ্জামান ও তার স্ত্রী নাসিমা বেগমের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরই জের ধরে সোমবার দিবাগত রাতে নাসিমা তার স্বামীকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পরে বাইরে থেকে ঘরে তালা লাগিয়ে তিনি পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে নুরুজ্জামান হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পলাতক নাসিমা বেগমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
