Amyal TV
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না: প্রতিমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। একইসঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি ও কষ্ট হবে, তার জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

Amyal TV
৩ মিনিট পড়ুন

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এই সংকট প্রতিদিনই নতুন মাত্রায় সামনে আসছে। এর প্রভাব পড়ছে জ্বালানি পরিবহনের বিভিন্ন খরচের ওপর। বিশেষ করে বিমার প্রিমিয়াম ও জাহাজের ভাড়া উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের সামনে এ মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং জ্বালানি আমদানির বাড়তি ব্যয়ের কারণে সরকারকে কঠিন এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বারবারই বলেছিলাম, উপায়হীন না হলে এই অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তটি সরকার নিতে চাইবে না, কিংবা নেবে না।’

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর মতো একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া সরকারের জন্যও অত্যন্ত কঠিন। কারণ এর সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সরাসরি জড়িত। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন থেকে শুরু করে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ব্যয়ও বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘জনগণের জীবনমানের কষ্ট লাঘবের অভিপ্রায়ে রাজনীতিতে এসেছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণের যে কষ্ট হবে, এটি আমি উপলব্ধি করি। সেই কারণে জনগণের কাছে আন্তরিকভাবে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’

তিনি আরও বলেন, চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে বলে তারা আশা করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে জ্বালানি তেলের দাম আবারও সমন্বয় করার চেষ্টা করা হবে। সে সময় জ্বালানি তেলের দাম আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা কিংবা সম্ভব হলে তার চেয়েও কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্তটি মূলত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ও আমদানি ব্যয়ের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, সেটি বিবেচনায় নিয়েই সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জ্বালানি তেলের নতুন দাম সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন দরে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে কেরোসিনের দাম ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থাৎ চার ধরনের জ্বালানি তেলের দামই লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। নতুন এই মূল্য কার্যকর হওয়ার পর জ্বালানি তেলের বাড়তি দামের প্রভাব পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে পড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ তৈরি হওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম পুনরায় সমন্বয়ের মাধ্যমে আগের পর্যায়ে বা তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

চট্টগ্রাম বিভাগে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন পেশাজীবী দলের মুখপাত্র- নাফিজ মাহবুব

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ‘গাদ্দারি’...