শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসাসেবার খোঁজ নেন এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পটিয়ার প্রায় ৭ লাখ মানুষ ছাড়াও বাঁশখালী, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার আরও প্রায় ৪ লাখ মানুষ এখানে চিকিৎসাসেবা নেন। প্রতিদিন বহির্বিভাগে এক হাজারের বেশি রোগী এবং প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী ভর্তি হন। এতে হাসপাতালটিতে শয্যা ও জনবল সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে।
পরে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। বৃহত্তর এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালটিকে একটি মডেল হাসপাতালে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, ভর্তি রোগীদের রক্ত পরীক্ষা হাসপাতাল থেকেই করার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ-স্যালাইন সরবরাহ এবং রোগীদের খাবারের মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি। চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি ও হাসপাতালের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যবস্থার বিষয়েও খোঁজ নেন মন্ত্রী।
এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাকে প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন, আমি খালি হাতে আসিনি।’
পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি, জেলা সিভিল সার্জন সাজেদুর রহমানসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
