রোববার বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা। এ সময় তারা মাঠের ঘাস, ড্রেসিংরুম, মিডিয়া বক্স, গ্যালারি ও ডাগআউট ঘুরে দেখেন। এমনকি গ্যালারি ও ডাগআউটের চেয়ারেও বসে স্টেডিয়ামের সামগ্রিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন।
ব্রাজিলের প্রতিনিধি দলের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিপক্ষে কিংবা অন্য কোনো দেশের সঙ্গে ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা যাচাই করা।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানান, ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা মাঠ ও স্টেডিয়ামের পরিবেশ দেখে সন্তুষ্ট হলে ভবিষ্যতে অন্য দেশের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য ঢাকাকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। এমনকি বাংলাদেশের বিপক্ষেও খেলার সম্ভাবনার কথা তারা জানিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিনিধিরা মূলত মাঠের বর্তমান অবস্থা ও স্টেডিয়ামের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করতে এসেছেন। পরবর্তী সময়ে তাদের মতামত জানানো হবে।
পরিদর্শনের সময় মাঠের ঘাস, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয় খুঁটিয়ে দেখেন ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা। মাঠে কর্মরত ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলেন তারা এবং মাঠের রক্ষণাবেক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চান।
৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্রাজিল জাতীয় দল ঢাকায় অনুশীলন করতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হোসেন জানান, এ বিষয়ে প্রতিনিধিরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। মাঠ ও স্টেডিয়ামের অবস্থা পর্যালোচনা করে তারা নিজেদের ফেডারেশনকে রিপোর্ট দেবে।
প্রয়োজনে মাঠের আরও উন্নয়ন ও প্রস্তুতির পর ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা আবারও ঢাকায় আসতে পারেন বলেও জানান তিনি।
এদিকে ব্রাজিলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির বৈঠকের পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান। ফলে ভবিষ্যতে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের ম্যাচ দেখার সম্ভাবনা এখন নতুন করে তৈরি হয়েছে।
