এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে দেশের কোনো পরিবার বাদ যাবে না। এমনকি রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও এই কার্ডের সুবিধা পাবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সময়ের মধ্যে দেশের কৃষকদের কাছেও কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন সরকারি সুবিধা আরও সুশৃঙ্খলভাবে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সাম্প্রতিক এক বক্তব্যেও প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে এবং এ সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
এদিকে ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি নিয়েও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। কর্মসূচিটির সমালোচনা করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘বাইরের দেশের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য অহেতুক এমন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। তেলের সংকট থাকলে ১১ দল কীভাবে লংমার্চ করেছে?’
তিনি আরও বলেন, লংমার্চের মাধ্যমে যদি কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হতো, তাহলে বিএনপি টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত লংমার্চ করত।
এর আগে বিরোধী দলের লংমার্চ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরে প্রশ্ন করেছিলেন, জ্বালানি সংকট থাকলে লংমার্চে প্রয়োজনীয় তেল কোথা থেকে আসবে। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে রংপুরের বীর শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশন এবং তার পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মাণের পাশাপাশি কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এক কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণাও দেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, শহীদ আবু সাঈদের পরিবার ও তার স্মৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য বাড়ি নির্মাণ এবং কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধনে বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালুর পাশাপাশি শহীদ পরিবারের জন্য এই বরাদ্দের ঘোষণা রংপুরের অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবেই তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
