Amyal TV
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ তেলচুক্তি’ করার ঘোষণা ট্রাম্পের!

ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে বড় ধরনের চুক্তিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে একটি বড় তেল চুক্তিতে পৌঁছেছে তাঁর প্রশাসন। তাঁর দাবি, এটি বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেলচুক্তি।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

গতকাল শুক্রবার চুক্তির ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়বে। দেশটিতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রমাণিত তেল মজুত রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, চুক্তির ফলে ভেনেজুয়েলায় প্রায় ১০ হাজার কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ আসতে পারে। একই সঙ্গে তৈরি হতে পারে হাজার হাজার কর্মসংস্থান এবং গতি পেতে পারে দেশটির অর্থনৈতিক পুনর্গঠন।

তবে ভেনেজুয়েলা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে বলেন, এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত দ্বিগুণের বেশি হতে পারে। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মার্কো রুবিওর ভাষ্য, ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির বাস্তবায়নের অন্যতম উদাহরণ এই চুক্তি। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থিতিশীল তেল সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি জ্বালানির দামও কমতে পারে।

চুক্তির আওতায় ভেনেজুয়েলার বেশ কয়েকটি উৎপাদনশীল তেলক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। এসব তেলক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ প্রমাণিত তেল মজুত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চুক্তিটি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় ওয়াশিংটনের কাছে বিকল্প তেল উৎস নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এদিকে ভেনেজুয়েলায় নতুন করে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে দেশটির দুর্বল অবকাঠামো এবং অতীতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্পদ জব্দের ইতিহাসের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনো কিছুটা শঙ্কা রয়েছে।

এর মধ্যেই ভেনেজুয়েলায় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া মার্কিন তেল কোম্পানি শেভরন উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ দেশটিতে তাদের তেল উৎপাদন আরও বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।

সব মিলিয়ে, ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই উদ্যোগ শুধু জ্বালানি বাজারেই নয়, দুই দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

চট্টগ্রাম বিভাগে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন পেশাজীবী দলের মুখপাত্র- নাফিজ মাহবুব

সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ‘গাদ্দারি’...