সোমবার (৩১ আগস্ট) হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
কৌশাম্বীর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অমিত পাল জানান, পিপরী থানার মনোড়ী গ্রামের একটি বাজি কারখানায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকজনকে প্রয়াগরাজের এসআরএন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ জনের মৃত্যু হয়। আরও পাঁচজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতদের সবাই কারখানাটির আশপাশের এলাকার বাসিন্দা। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় কারখানাটির পাশাপাশি আশপাশের পাঁচ থেকে ছয়টি বাড়ি ধসে পড়ে। ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের প্রভাব পড়ে রেল যোগাযোগেও। দিল্লি-হাওড়া রেলপথে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
এ সময় আজমের-শিয়ালদহ এক্সপ্রেসকে মনোড়ী স্টেশনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। অন্যদিকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে সাইয়াদ সারওয়ান স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়।
উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ), পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরাতে ১০টি বুলডোজার ও খননযন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও। সেটি দ্রুত স্বাভাবিক করতে মেরামতকাজ চলছে।
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এবং কারখানাটিতে নিরাপত্তাবিধি মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
