মঙ্গলবার সকালে বীরভূমের রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বৃষ্টি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, বৃষ্টি আত্মহত্যা করেছেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশও একই ধারণা করছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টি বোলপুরের একটি বিদ্যালয়ে করণিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
এ ছাড়া স্বামীর সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। সব মিলিয়ে তিনি একাকিত্ব ও হতাশায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানিয়েছে পরিবার।
বৃষ্টির বাবা নীহার মুখোপাধ্যায় বলেন, মেয়েকে কয়েকবার কলকাতায় নিয়ে পুনর্বাসনকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে তাতে তেমন কোনো ফল পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত এভাবে মেয়েকে হারাতে হলো।
