প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার ভোরে রিয়াদের বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনে একটি জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। ভোর ৩টার কিছু আগে পাঠানো ওই বার্তায় জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট এলাকা ‘শত্রুভাবাপন্ন আকাশপথের হুমকির মুখে’ রয়েছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান এবং ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জরুরি সতর্কবার্তা পাওয়ার পরপরই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। সতর্কতা জারির কিছুক্ষণের মধ্যেই এএফপির সাংবাদিকরা দুটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃতি এবং কোথায় সেগুলো ঘটেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সৌদি আরব এর আগেও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিভিন্ন হামলার হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে ইয়েমেনের সংঘাত তীব্র হওয়ার পর সৌদি ভূখণ্ডে নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। তবে এবারের ঘটনায় রাজধানী রিয়াদে সরাসরি বিমান হামলার সতর্কতা জারি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়।
ঘটনার প্রায় আধা ঘণ্টা পর সৌদি কর্তৃপক্ষ বিমান হামলার সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয়। দেশটির সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি নাগরিকদের জানায়, বিমান হামলার আশঙ্কা কেটে গেছে। এর পর বিশেষ জরুরি সতর্কতাটিও তুলে নেওয়া হয়।
সতর্কতা প্রত্যাহারের পর রাজধানীর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে বিস্ফোরণের শব্দের উৎস, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু এবং কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না—এসব বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এর আগেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন এই ঘটনায় রিয়াদে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপরও নজর বাড়ানো হয়েছে।
