ইয়ার গোলানের মতে, ৮৬ বছর বয়সী আলি খামেনিকে হত্যা করে ইসরায়েল প্রত্যাশিত কৌশলগত সুবিধা অর্জন করতে পারেনি। বরং খামেনির পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি নেতৃত্বে আসায় ইরানের ক্ষমতা আরও উগ্র ও সহিংস ব্যক্তিদের হাতে চলে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুরও সমালোচনা করেন গোলান। তিনি বলেন, ইরানের সরকারকে উৎখাত করার একটি অবাস্তব লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন নেতানিয়াহু। তবে সেই লক্ষ্য বাস্তবে অর্জিত হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের নতুন পর্যায় শুরু হয়। এর জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত করে। পরে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
