আরিফুল ইসলাম লালমনিরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইনস্ট্রাক্টর এবং ৪১তম বিসিএসের নন-ক্যাডার কর্মকর্তা ছিলেন।
গত ১ আগস্ট কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয় তাঁকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক, জুয়া ও ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় পরিকল্পিতভাবে আরিফুল ইসলামের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল।
এদিকে শুক্রবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ক্ষুব্ধ জনতা হামলায় অভিযুক্তদের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ও আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে অভিযুক্তদের দুটি বাড়িতে ভাঙচুর এবং আরও সাতটি বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাদ আহম্মেদ জানান, শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজিত জনতা কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
তিনি বলেন, আরিফুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
