রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এ জানাজায় ইমামতি করেন আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, জানাজায় প্রায় ২ কোটি মানুষ অংশ নেন।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, শনিবার থেকেই ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনির মরদেহ রাখা হয়। জানাজার নামাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই পুরো প্রাঙ্গণ মানুষের ভিড়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
সূচি অনুযায়ী, সোমবার (৬ জুলাই) তেহরানে এবং মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পবিত্র শহর কোমে শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর খামেনির মরদেহ আরও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরে নেওয়া হবে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইরানের মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
