কিন্তু নির্মম বাস্তবতা হলো, এটি কোনো সিনেমা নয়। মাদক থেকে শুরু করে নানা অপরাধের সঙ্গী দুই বন্ধু আতিকুর ও জাকিরের হাতেই বলি হতে হয়েছে রত্না নামের এক নারীকে। হত্যাকাণ্ডের পর প্রমাণ মেটাতে রত্নার মরদেহ দীর্ঘ ২ মাস লুকিয়ে রাখা হয়েছিল একটি ডিফ ফ্রিজে!তদন্ত ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, রত্না আতিকুরের সাথে থাকতেন।
নিজের মেয়ের চিকিৎসার জন্য দেশে টাকা পাঠানোর উদ্দেশ্যে বেশ কিছু টাকা জমিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আতিকুরের হাতে টাকা দিলে সে তা খরচ করে ফেলত এবং বাড়িতে দিত না। তাই সরল বিশ্বাসে রত্না দেশে টাকা পাঠানোর জন্য সেই টাকা তুলে দেন আতিকুরের বন্ধু জাকিরের হাতে।লোভ সামলাতে না পেরে জাকির সেই টাকা মেরে দেয়।
এই টাকা লোপাটের বিষয়টি যখন আতিকুর জানতে পারে, তখন সে ক্ষিপ্ত হয়ে রত্নার ওপরই চড়াও হয় এবং তাকে নির্মমভাবে মারধর করে। এর পরের কাহিনি সবার জানা। তবে আতিকুর ও জাকির দুজনে মিলে তার মরদেহটি একটি ডিফ ফ্রিজে লুকিয়ে রাখে।যা আতিকুর নিজেই ভাষ্য দিয়েছেন। যে ফ্রিজ থেকে দীর্ঘ ২ মাস পর উদ্ধার হয় রত্নার মরদেহ।ইতিমধ্যেই এই ভয়ঙ্কর অপরাধের বেশ কিছু প্রমাণ পুলিশের হাতে এসেছে।
তবে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কোনো গভীর রহস্য লুকিয়ে আছে কি না, তা পুরোপুরি পরিষ্কার হবে পলাতক আতিকুর গ্রেফতার হওয়ার পর। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুতই আতিকুর এবং এর সহযোগিরা ধরা পড়বে এবং রত্না হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
