Amyal TV
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর সামনেই সংসদে কিল-ঘুষি!

জর্জিয়ার সংসদের চলতি অধিবেশনের শেষ পূর্ণাঙ্গ বৈঠকে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে তীব্র হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, উত্তপ্ত সংসদ কক্ষ শান্ত করতে শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তাকর্মীদের ডাকতে হয়।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘সিভিল জর্জিয়া’ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।​প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) জর্জিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি কোবাখিদজে সংসদে তার বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করছিলেন।

প্রতিবেদন শেষে প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হতেই পাল্টাপাল্টি যুক্তিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সংসদ কক্ষ।​বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে যখন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য জর্জি শারাশিদজে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সাম্প্রতিক জর্জিয়া সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

শারাশিদজে দাবি করেন, ওই সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানই তার প্রকৃত রাজনৈতিক চরিত্র প্রকাশ করেছে। এই মন্তব্যের পরপরই ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বিরোধী দলের সদস্যদের সাথে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।​একপর্যায়ে মৌখিক বিতর্ক রূপ নেয় শারীরিক সংঘর্ষে। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, প্রথমে ক্ষমতাসীন দলের ইরাকলি খেলাদজে ও বিরোধী দলের গিগা পারুলাভার মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।

মুহূর্তের মধ্যেই তা পুরো সংসদ কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের বিপুল সংখ্যক আইনপ্রণেতা মারামারিতে লিপ্ত হন।​কয়েক মিনিট ধরে চলা এই নজিরবিহীন সংঘর্ষের সময় সংসদের সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ টেলিকাস্ট) সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সংসদের নিরাপত্তাকর্মীরা এসে বিরোধী দলের সদস্যদের জোরপূর্বক কক্ষ থেকে বের করে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

পুরো ঘটনা চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি কোবাখিদজে এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা নির্বাক হয়ে নিজ নিজ আসন থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।​এই সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য আহত হয়েছেন। সংসদ ভবনে জরুরি চিকিৎসাসেবা ডাকা হলে চিকিৎসাকর্মীরা এসে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।