Amyal TV
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

তিন বছর পর মাঠে ফিরে অঝোরে কাঁদলেন নেইমার, শোনালেন সংগ্রামের গল্প

দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর আবারও ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে ফিরলেন নেইমার জুনিয়র। আর সেই প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ম্যাচ শেষে পরিবারের সঙ্গে দেখা করে চোখের জল ফেলতে দেখা যায় তাকে।ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাজিলের বেঞ্চের দিকে ছিল ফটোগ্রাফারদের বিশেষ নজর। সবার অপেক্ষা ছিল একটাই—কখন মাঠে নামবেন নেইমার। অবশেষে ৭৫ তম মিনিটে ম্যাথিউস কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। স্টেডিয়ামে তার নাম ঘোষণা হতেই গ্যালারিজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস আর করতালির ঝড়।

Amyal TV
২ মিনিট পড়ুন

তবে মাঠে নেমে বড় কোনো প্রভাব ফেলার সুযোগ পাননি নেইমার। এর আগেই ব্রাজিল ৩-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিল।ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই সরাসরি গ্যালারির দিকে ছুটে যান নেইমার। সেখানে অপেক্ষায় ছিলেন তার স্ত্রী ব্রুনা বিয়ানকার্দি এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা। প্রিয়জনদের কাছে পেয়ে আবেগে ভেঙে পড়েন এই তারকা ফুটবলার।
এক পর্যায়ে নিজের ১৪ বছর বয়সী বড় ছেলে ডেভি লুকাকে কাছে ডাকেন তিনি। নিরাপত্তাকর্মীরা প্রথমে তাকে বাধা দিলেও পরে পরিচয় নিশ্চিত হলে বাবা-ছেলের সেই কাঙ্ক্ষিত সাক্ষাৎ ঘটে। দুজনের আবেগঘন আলিঙ্গনের মুহূর্তে গ্যালারি ও মাঠজুড়ে তৈরি হয় এক হৃদয়স্পর্শী পরিবেশ।

ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন,
“খেলা শেষ হওয়ার পর আমি আবেগে ভেসে গিয়েছিলাম। পরিবারের সঙ্গে দেখা করলাম, সবাই কাঁদছিল, হাসছিল, আনন্দ করছিল। এটি ছিল এক অসাধারণ অনুভূতি।” জাতীয় দলে ফেরার অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “এটি আমার জন্য কৃতজ্ঞতার মুহূর্ত। আমার লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপে খেলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং আবার এই জার্সি গায়ে তোলা। ব্রাজিলের হয়ে খেলতে আমি সবসময়ই ভালোবাসি।”সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নেইমার

তিনি বলেন,
“ব্রাজিলের মানুষকে ধন্যবাদ জানাই। তাদের ভালোবাসা ও অব্যাহত সমর্থন আমাকে শক্তি জুগিয়েছে। এই পথটা সহজ ছিল না, কিন্তু আমরা সফল হয়েছি।”দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নেইমারের এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি ম্যাচে ফেরা নয়, বরং তার সংগ্রাম, ধৈর্য আর নতুন করে স্বপ্ন দেখার এক অনুপ্রেরণার গল্প।