গ্রেপ্তার মো. ছমির উদ্দিন পেশায় কৃষক। শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে রাতে শিশুটির মায়ের করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা প্রবাসে থাকেন। শিশুটি মায়ের সঙ্গে বাড়িতে বসবাস করে।
গত ২৫ আগস্ট বিদ্যালয়ের পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছমির উদ্দিন শিশুটিকে টাকা দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় একটি কলাবাগানে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে তাকে ১০০ টাকা দিয়ে বিষয়টি কাউকে জানালে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বাড়িতে ফিরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনাটি জানায়। এরপর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনায় সালিস হওয়ার খবর পেয়ে পাগলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয় এবং অভিযুক্ত ছমির উদ্দিনকে আটক করা হয়।
পাগলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, শিশুটির মা বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে থানায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে শনিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
