Amyal TV
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সীতাকুণ্ডে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও মহাসড়ক অবরোধ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন এক পক্ষের নেতা-কর্মীরা। এতে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

Amyal TV
৩ মিনিট পড়ুন

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অনুসারী ও দলের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর অনুসারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর করা হয়।

দলীয় সূত্র ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের মুন স্টার ক্লাবে একই সময়ে পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে দুই পক্ষ। এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই পক্ষকে পৃথক সময়ে কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছিল।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই মুন স্টার ক্লাব এলাকায় আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা অবস্থান নেন। অন্যদিকে কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারীরা ক্লাবের কাছাকাছি হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

দুপুর ১টার দিকে আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা মিছিল নিয়ে ওই এলাকায় পৌঁছালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ এবং তিনটি মিনিবাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

তবে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের জন্য দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারীদের দাবি, আসলাম চৌধুরীর লোকজন অস্ত্র ও ককটেল নিয়ে তাদের ওপর হামলা করেছে। অন্যদিকে আসলাম চৌধুরীর পক্ষের নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, উল্টো তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে।

ভাঙচুরের প্রতিবাদে দুপুর ২টার দিকে কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারীরা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই লেন অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতা-কর্মীদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। এ ছাড়া নিরাপত্তার কারণে চট্টগ্রাম নগরের অলংকার ও সীতাকুণ্ড রুটে মিনিবাস চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে পরিবহন মালিক সমিতি।

চট্টগ্রামের বাস ও হিউম্যান হলার মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. খোরশেদ আলম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় তাঁদের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ওই রুটে যাত্রীবাহী যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর বলেন, বিএনপির একটি পক্ষ মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। পুলিশ গিয়ে তাদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় দুজন আহত হওয়ার তথ্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পাওয়া গেছে। তবে আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

দুর্নীতিমুক্ত আদালত গঠনে প্রধান বিচারপতিকে বার সভাপতির এক মাসের আল্টিমেটাম

আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের...

ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান...